অমাবস্যার চাঁদ
পর্ব ১
writer Tanishq Sheikh Tani
তোমায় হৃদ মাঝারে রাখিব ছেড়ে দেবো না,,,
মেহেরের হুয়াওয়ে অনার ভি থার্টি ফোনের কলার টিউনটা অনবরত বেজেই চলেছে,,,
মেহেরের হুয়াওয়ে অনার ভি থার্টি ফোনের কলার টিউনটা অনবরত বেজেই চলেছে,,,
বেবি ওয়েক আপ! সি ইওর মম কল ইউ
ওয়েক আপ মাই গার্ল।সাহির মেহেরকে চুমু দিয়ে জাগানোর চেষ্টা করছে
ওয়েক আপ মাই গার্ল।সাহির মেহেরকে চুমু দিয়ে জাগানোর চেষ্টা করছে
উমমম! বেবি ডোন্ট ডিস্টার্ব না।প্লিজ লেট মি স্লিপ।মেহের কম্বলটা টেনে জড়িয়ে ঘুম জড়ানো কন্ঠে সাহিরকে বললো।
মেহু! কামওন বেবি! ওঠ না।তোমার মম যদি একবার ডাউট করে তোমাকে নিয়ে বুঝতেই পারছো কি হবে? সো প্লিজ পিক আপ হার কল।
ওহো! তোমাদের জন্য ঠিকমতো ঘুমুতেও পারি না।এই মম টা আমাকে কবরেও শান্তিতে থাকতে দেবে না।ইরিটেডেড মহিলা উঠতে বসতে শুধু কৈফিয়ত চাই তার। ভাল্লাগেনা একদম।
বেবি ডোন্ট বি সিলি।বুদ্ধি দিয়ে কাজ করতে হবে আমাদের। তোমার মম খুব জাদরেল মহিলা।সরি টু সে বাট কি করবো বলো? তিনি আমাদের সম্পর্ক মেনেই নিচ্ছেন না।
সাহির মেহেরের গালে হাত দিয়ে মনমরা হয়ে বলে।
সাহির মেহেরের গালে হাত দিয়ে মনমরা হয়ে বলে।
এইজন্যই তো এতোদূর রাঙামাটি এসেছি। দেখি এবার কি করে পাই আমাকে।বেবি চলো না আমরা বিয়ে করে ফেলি? তাহলে তো মম আর আমাদের মাঝে বাধা হয়ে দাড়াবে না।
হুমম।আমিও তাই ভাবছি।আচ্ছা তুমি এই রিংটোনের কি করবে তাই বলে। মাথা ধরিয়ে দিচ্ছে তো?
বেবি এই টিউনটা তোমার মাথা ধরিয়ে দিচ্ছে? বাট এই টিউন আমাকে তোমার কথা মনে করিয়ে দেয়।
মেহের আর একমিনিটও ওয়েট করে না মোবাইল টা ফ্লোরে জোরে আছাড় দিয়ে ভেঙে ফেলে রাগ করে।
মেহের আর একমিনিটও ওয়েট করে না মোবাইল টা ফ্লোরে জোরে আছাড় দিয়ে ভেঙে ফেলে রাগ করে।
বেবি কি করলে? আমি তো জাস্ট এমনিতেই বলেছি।
ঠিকই করেছি। এখন দেখি কি করে মাহিদা চৌধুরী আমাকে কল করে।
রাগ করো না বেবি।রাগ করলে আমার বেবির মুখে পিম্পল উঠে যাবে।সাহির মেহেরকে জড়িয়ে ধরে
আমার বড্ড খারাপ লাগে মায়ের ঐ পাহাড়ার মধ্যে থাকতে।আমি খোলা বাতাসে মুক্ত বিহঙ্গীর মতো বাঁচতে চাই সাহির।
অবশ্যই তুমি তোমার মতো বাঁচবে জান।আমি তোমাকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেবো মেহু।সাহির কথাটা বলতে বলতে মেহের ঠোঁটে গিয়ে থামে।মেহেরের চোখে চোখ রেখে দু ঠোঁটে নিজের ঠোঁট আঁকড়ে ধরে।মেহের আরো একবার সাহিরকে নিজের সম্ভ্রম লুটিয়ে দেয়।ভালোবাসাকে আকড়ে রাখতে মেহু এমন অবৈধতা মানে না।
মোবাইলের রিংটনে সাহিরের ঘুম ভাঙে।চোখ মেলে পাশে তাকাতেই একই চাদরের নিচে বিবস্ত্র ঘুমন্ত মেহেরকে দেখে মৃদু হেসে মোবাইল টা রিসিভ করে সাবধানে বিছানা ছেড়ে ওঠে।
হ্যালো ওয়াইফি! কেমন আছো জান
ওপাশে অভিমানের সুর বেজে উঠলো।
এই তো সোনা আর ৪/৫ দিন। বিজনেস ট্রিপ শেষ করেই ফিরবো। এবার কিন্তু আমার বেবি চাই বুঝলে ওয়াইফি।
স্ত্রীর লজ্জা দেখে সাহির আরও মিষ্টি মিষ্টি মন ভোলানো কথা বলে স্ত্রীকে বশ করে।এই মুহুর্তে অনান্য প্রবাসী স্বামীদের মতোই স্ত্রী কে ছেড়ে থাকায় ব্যথিত হওয়ার অভিনয় করে।এসব বিষয়ে অভিনয়ে ভীষন পাকা হয়ে উঠেছে সাহির।
স্ত্রীকে নানা ছলাকলায় নিজের কাজের অজুহাত দেখিয়ে বেচারা স্বামী সেজে স্ত্রীর মনে ভালোবাসা ও আদর্শ স্বামীর জায়গাটা নিয়ে নেয় সাহির।
স্ত্রী শায়লার সাথে কথা শেষ করে ওয়েটিং রুমের দিকে এগোয়।সামনে বিশাল থাই গ্লাসের দেয়াল দিয়ে ঘেরা ওয়েটিং রুম থেকে বাইরের সুইমিং পুল,রাঙামাটির পাহাড়ি সৌন্দর্য সব অবলীলায় পর্যবেক্ষণ করা যায়।দারুন সময় কাটে এই বাংলোতে আসলে।
সবাই জানে এখানে আমি বিজনেস ট্রিপে আসি। আসলে বিজনেস ট্রিপের চেয়ে গত ৩ বছর ধরে এখানে শুধুমাত্র মেহেরকে নিয়েই আসা হয়।গত বছরগুলোতে মেহের আলাদা রুমে ডিসটেন্স বজায় রাখলেও এবার সম্পূর্ণ আমার কাছে সঁপে দিয়েছে নিজেকে।মেয়ে মানুষের মনের সাথে আমার কোনো লেনাদেনা নেই। আমার লেনাদেনা শুধু ওদের দেহের সাথে।তবে এমনি এমনি তো এসব ভদ্র ঘরের স্মার্ট সুন্দরী রা নিজেদের বিলায় না এজন্য ওদের মনকে একটু বশ করতে হয় ভালোবাসার মিথ্যে অভিনয় করে।দুহাত সোফায় উঁচিয়ে পা টিটেবিলে উঠিয়ে সিগারেটের ধোঁয়া উড়াতে উড়াতে ভাবে সাহির।আজ রাতের পার্টি শেষেই মেহেরের পার্ট চোকাতে হবে।বাড়িতে বউকে এতোদিন একা রাখা যাবে না।এখানকার কিছু বিজনেস ক্লাইন্ট ও বন্ধুকে নিয়েই আজকের ডিজে পার্টি থ্রো করেছে সাহির।এখানে আসলেই পার্টি থ্রো করে সাহির।এতে করে সবার সাথে গেটটুগেদার হওয়া যায়।সাথে সবার সামনে নিজের স্মার্ট আবেদনময়ী গার্লফ্রেন্ডকেও জাহির করা যায়।সবাই যখন সাথে এমন গার্লফ্রেন্ড দেখে জ্বলে পুরে ছাই হয়ে যায়।এটা দেখতে দারুন শান্তি লাগে সাহিরের।বিশেষ করে রনি এবং মারুফ কে দেখলে।ব্যাটারা মেহেরকে চোখ দিয়েই গিলে খাই।পারে না সত্যি সত্যি খেয়ে ফেলতে।এসব ভাবতে ভাবতে সাহির মৃদু হাসে।
স্ত্রীকে নানা ছলাকলায় নিজের কাজের অজুহাত দেখিয়ে বেচারা স্বামী সেজে স্ত্রীর মনে ভালোবাসা ও আদর্শ স্বামীর জায়গাটা নিয়ে নেয় সাহির।
স্ত্রী শায়লার সাথে কথা শেষ করে ওয়েটিং রুমের দিকে এগোয়।সামনে বিশাল থাই গ্লাসের দেয়াল দিয়ে ঘেরা ওয়েটিং রুম থেকে বাইরের সুইমিং পুল,রাঙামাটির পাহাড়ি সৌন্দর্য সব অবলীলায় পর্যবেক্ষণ করা যায়।দারুন সময় কাটে এই বাংলোতে আসলে।
সবাই জানে এখানে আমি বিজনেস ট্রিপে আসি। আসলে বিজনেস ট্রিপের চেয়ে গত ৩ বছর ধরে এখানে শুধুমাত্র মেহেরকে নিয়েই আসা হয়।গত বছরগুলোতে মেহের আলাদা রুমে ডিসটেন্স বজায় রাখলেও এবার সম্পূর্ণ আমার কাছে সঁপে দিয়েছে নিজেকে।মেয়ে মানুষের মনের সাথে আমার কোনো লেনাদেনা নেই। আমার লেনাদেনা শুধু ওদের দেহের সাথে।তবে এমনি এমনি তো এসব ভদ্র ঘরের স্মার্ট সুন্দরী রা নিজেদের বিলায় না এজন্য ওদের মনকে একটু বশ করতে হয় ভালোবাসার মিথ্যে অভিনয় করে।দুহাত সোফায় উঁচিয়ে পা টিটেবিলে উঠিয়ে সিগারেটের ধোঁয়া উড়াতে উড়াতে ভাবে সাহির।আজ রাতের পার্টি শেষেই মেহেরের পার্ট চোকাতে হবে।বাড়িতে বউকে এতোদিন একা রাখা যাবে না।এখানকার কিছু বিজনেস ক্লাইন্ট ও বন্ধুকে নিয়েই আজকের ডিজে পার্টি থ্রো করেছে সাহির।এখানে আসলেই পার্টি থ্রো করে সাহির।এতে করে সবার সাথে গেটটুগেদার হওয়া যায়।সাথে সবার সামনে নিজের স্মার্ট আবেদনময়ী গার্লফ্রেন্ডকেও জাহির করা যায়।সবাই যখন সাথে এমন গার্লফ্রেন্ড দেখে জ্বলে পুরে ছাই হয়ে যায়।এটা দেখতে দারুন শান্তি লাগে সাহিরের।বিশেষ করে রনি এবং মারুফ কে দেখলে।ব্যাটারা মেহেরকে চোখ দিয়েই গিলে খাই।পারে না সত্যি সত্যি খেয়ে ফেলতে।এসব ভাবতে ভাবতে সাহির মৃদু হাসে।
সন্ধ্যার ঘন অন্ধকারে ঢেকে গিয়েছে চারপাশ তবুও এই বাংলোর চারপাশে আলো জলমল করছে।পার্টির উত্তাল সুর সাথে ওয়াইন,বিয়ারের গন্ধে মাতাল হয়ে আছে বাংলোর পরিবেশ। মেহের চিকন ফিতাওয়ালা লাল টপস পড়েছে।পিঠ এবং বুকের অনেকাংশই স্পষ্ট খোলামেলা। ঠোঁটে গাঢ় ন্যুড লিপিস্টিক পার্টি মেকাপ।
সাদা শার্ট কালো ব্লেজার পরিহিত সাহির মেহেরকে এই অবস্থায় দেখে নেশাগ্রস্থ হয়ে যায়।ওয়াইনের মতো একচুমুকে খেয়ে ফেলতে মন চাই মেহেরকে সাহিরের।মনে মনে মেহেরকে ছাড়ার প্লান ক্যান্সেল করে দেয়।সাহির মেহের কাছে যেতেই মেয়ের কিছুটা লজ্জা পায়।
সাহির মেহেরের কোমর জড়িয়ে নিজের সিনার সাথে মিশিয়ে নেয়।মেহেরের গলা কান চোয়ালে ঠোঁট ছোয়াতে থাকে।
সাহির মেহেরের কোমর জড়িয়ে নিজের সিনার সাথে মিশিয়ে নেয়।মেহেরের গলা কান চোয়ালে ঠোঁট ছোয়াতে থাকে।
হেই মাহির! রনি হুট করে সাহিরের রুমে ঢুকতেই দুজনকে অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখে ফেলে।
রনিকে এভাবে ঘরে ঢুকতে দেখে মেহের সরে যেতে চাইলেও সাহির যেতে দেয় না।ওভাবে জড়িয়ে উল্টো রনিকে গালমন্দ করে পারমিশন ছাড়া এখানে ঢোকার জন্য। রনি মেহেরের আবেদনময়ী অঙ্গ পোষাক দেখে চোখ সরাতে পারে না।সাহিরের গালি যেন শুনতেই পাই না।রনির শরীরে কারেন্ট দৌড়াতে থাকে।
এই রনি! ব্লাডি ইডিয়ট। গেট আউট ম্যান
সাহিরের জোরে ধমকে রনি সম্বিত ফিরে পেয়ে লজ্জিত হয়।তাড়াতাড়ি রুম ছেড়ে বাইরে বেড়িয়ে বাচে।
সাহির আবার মেহেরকে আদর করতে থাকে।
সাহির স্টপ! এখন না প্লিজ।দেখলে তো হুটহাট কেমন ঢুকে পড়ছে ঘরে সবাই।তোমার এই দুই বন্ধু কে আমার একদম পছন্দ না। কেমন করে যেন তাকায়।অস্বস্তি লাগে খুব।
আরে বাদ দাও তো।কেউ আসবে না।কাম ওন বেবি।সাহির মেহেরকে কাছে টানতে গেলেও মেহের তাতে বাঁধা দেয়।সাহির জোর না করায় ভালো এই মুহুর্তে ভেবে মেহেরকে সাথে করে পার্টিতে নিয়ে যায়।সবাই সবার মতো মজা করছে।মেহের ওয়াইনের একটা গ্লাস নিয়ে চুপচাপ এককোনে বসে আছে।সাহির ওকে রেখে পার্টিতে আাসা অন্য মেয়েদের সাথে ঘনিষ্ঠ হয়ে নাচছে দেখে রাগে দুঃখে গজগজ করতে করতে রুমে চলে আসে।
মাথা নিচু করে কাদতে থাকে।সাহিরকে প্রচন্ড রকম ভালোবাসে মেহের।মায়ের হজারটা নিষেধ স্বত্বেও সাহিরের জন্য মম কে ফেলে এখানে চলে এসেছে।সাহিরকে ছাড়া নিজের পৃথিবী অসম্পূর্ণ লাগে।সাহিরের যেমন ভালো লাগে মেহের নিজেকে ঠিক তেমনটিই রাখে।অথচ সাহির মেহেরকে রেখে অন্য মেয়ের সাথে নাচছে।মেহের এটা ভেবে কষ্ট পায়।রাগে শরীর টগবগ করে ফুটতে থাকে।সাহিরকে ও কারও সাথে শেয়ার করতে পারবে না।
কি হয়েছে মেহের? এনিথিং রং
মেহেরের পাশে বসে উন্মুক্ত পিঠে হাত রেখে জিজ্ঞেস করে রনি।
মেহেরের পাশে বসে উন্মুক্ত পিঠে হাত রেখে জিজ্ঞেস করে রনি।
হাও ডেয়ার ইউ। আমাকে টাচ করার সাহস কি করে পান আপনি? আর এই রুমে এসেছেন কার অনুমতি নিয়ে শুনি? গেট আউট।
মেহের রনিকে এখানে দেখে একপ্রকার গর্জে ওঠে রাগে।
মেহের রিলাক্স! আমি শুধু তোমার খোঁজ নিতে এসেছিলাম।
আপনাকে কি ডেকেছি আমার খোজ নেওয়ার জন্য তবে কেন এসেছেন? যান এখান থেকে? নয়তো
রাগে গজগজ করতে করতে দরজা খুলতে যাবে তার আগেই রনি মেহেরকে বিছানার টান দিয়ে ছুড়ে ফেলে। কিছুটা নেশা করায় মেহের শক্তি পায় না রনির কাছ থেকে ছুটার।রনি মেহেরকে বিছানায় জাপটে ধরে পৈশাচিক হাসি আসে।এরমধ্যে মারুফও রুমে ঢুকে রনিকে মেহেরর উপর দেখে রনির সম্মতিতে দরজা বন্ধ করে মেহেরের উপর ঝাপিয়ে পড়ে দু বন্ধু।বাইরের লাউড মিউজিকের শব্দে মেহেরের আর্তচিৎকার কারো কানে পৌছায় না।
সকালের রোদে প্রচন্ড ব্যথায় কুকড়ে ওঠে মেহের।ক্ষতবিক্ষত নগ্ন শরীরে টিশার্ট টা পড়ে বাইরে বেরোতেই সাহিরকে তার স্ত্রীর সাথে প্রেমালাপ করতে শুনে ফেলে।
সাহির স্ত্রীর সাথে কথা বলে পেছনে ফিরতেই মেহেরকে দেখে চমকে যায়।মেহের চিৎকার করে সাহিরের কলার চেপে ধরে।চিৎকার শুনে রনি এবং মারুফ দৌড়ে আসে বসার ঘর ছেড়ে।
বাস্টার্ড! তুই আমার অনুভূতি নিয়ে খেলেছিস? আমার সাথে মিথ্যা ভালোবাসার অভিনয় করেছিস? তোকে আমি ছাড়বো না।ছাড়বো না তোকে আমি।
মেহের কলার ছাড়ো!
আমার মমকে আমি এক্ষুণি সব বলবো ধোকাবাজ তোকে আমি শেয়াল কুকুর দিয়ে খাওয়াবো।তুই জানিস না সাহির খান তুই কার মেয়ের সাথে চিটিং করেছিস? রাগে লাল হয়ে যায় মেহের
মেহের কলার ছাড়ো।এবার সাহির সহ্য করতে না পেরে মেহেরকে জোরে একটা চড় বসিয়ে দেয়।মেহের ছিটকে ফ্লোরে পড়ে যায়
হ্যাঁ করেছি তোর অনূভূতি নিয়ে খেলা।আরও খেলবো।যতোদিন মন না ভরবে ততদিন খেলবো।আজ থেকে এই রনি মারুফও তোকে ভোগ করবে।
কেন করলে তুমি সাহির? কেন?আমি তো তোমাকে ভালোবাসি সাহির।মেহের হাটু মুড়ে কাঁদতে থাকে।
তোকে আমার খেলনা মনে হয়েছে তাই।হা হা হা।ভালোবাসা শুধু চারটা অক্ষর আর একটা ম্যানিঙলেস শব্দ ছাড়া কিছুই না আমার কাছে।
চল রনি মারুফ।
মেহের বসে বসে আর একমুহূর্তও দেরি করে না।রাগে ক্ষোভে নিজের চুল ছিঁড়তে থাকে।মাকে খুব মনে পড়ছে এখন।পৃথিবীটা এতো নিষ্ঠুর মেহেরের জানা ছিল না।হঠাৎ সামনের খোলা দরজায় নজর পড়তেই দরজা দিয়ে দৌড়ে পালাতে থাকে।সাহির পেছন ফিরতেই দেখে মেহের পালাচ্ছে।সাহির সাথে সাথে ওকে ধরার জন্য দৌড়াতে থাকে।পিছে পিছে রনি মারুফও দৌড়ায়।
দৌড়াতে দৌড়াতে মেহের একসময় পাহাড়ের কিনারে এসে দাড়িয়ে পড়ে।কারন সামনে বড় খাদ।এখান থেকে পড়লে আর অস্তিত্ব থাকবে না।ভয়ে আত্মা শুকিয়ে আসে মেহেরের।
সাহির রনি মারুফ মেহেরের সামনে এসে হাপিয়ে পড়ে।
মেহের সরি! প্লিজ এদিকে আসো আমার ভুল হয়েছে।আমি সত্যি তেমাকে ভালোবাসি।প্লিজ লক্ষিটি এদিকে আসো।
না কখনোই না।
আমাকে বিশ্বাস করো প্লিজ।আমি তখন যা বলেছি সব মিথ্যা।আচ্ছা এই দেখো তোমার মমকে আমি কল করছি উনি চলে আসবেন।তবুও তুমি লাফ দিয়ো না।
এই নাও মমের সাথে কথা বলো?
এই নাও মমের সাথে কথা বলো?
মেহের ভয়ে ভয়ে মোবাইলের দিকে হাত বাড়াতে যাবে ঠিক তখনি সাহির মেহেরের সিনাতে হাত রেখে জোরে করে ধাক্কা দিতেই মেহের খাদে পড়ে যায়
মেহেরের বিকট আর্ত চিৎকারে কেপে ওঠে পাহাড়।পাখির কলকাকলি শুরু হয়ে যায়।
রনি মারুফ আতঙ্কিত হয়ে নিচে তাকাতেই দেখে একদম নিচে পাহাড়ের সাথে বেড়ে ওঠা গাছের চিকন খাড়া ডালটা মেহেরের পেটে ঢুকে গেছে।মৃত মেহের চিৎ হয়ে গাছের সাথে ঝুলছে।ভয়ে শিরদাঁড়া দিয়ে ঘাম ঝরে রনি আর মারুফের।
একি করলি সাহির? এখন তো পুলিশ কেস হবে রে?
আরে তো কি করতাম আর বল? ওর মম হলো ম্যাজিস্ট্রেট। মেহের যদি ওর মমকে সব বলতো আমাদের গুষ্টির পিন্ডি চটকাতো বুঝলি।মরেছে ভালো হয়েছে।চল বাংলো থেকে রশি আর অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস আনতে হবে
কেন? মারুফ আতঙ্কিত হয়ে প্রশ্ন করে
কেন মানে কি? ওর লাশ উঠিয়ে ওকে দূরে জঙ্গলে কোথাও মাটিচাপা দিতে হবে যাতে কেউ টের না পায়।
এসব কি বলছিস? আমি এসব পারবো না।আমি এসবের মধ্যে নেই ভাই।
আমি এসবের মধ্যে নেই ভাই মানে কি? শালা তোরা কাল রাতে মেহেরকে রেপ করেছিস সেটা যখন প্রকাশিত হবে তখন কি হবে জানিস তো?
কিভাবে প্রকাশিত হবে? ও তো মরেই গেছে।
ও মরলে কি হবে? এখানে এভাবে ঝুলে থাকলে কারও না কারো নজরে তো পড়বেই তখন পুলিশ কেস হবে আস্তে আস্তে সব ফাস হয়ে যাবে।তাই বলছি বেশি কথা না বলে আমাকে হেল্প কর
রনি আর মারুফ বুঝতে পারে সাহিরের কথা শুনা ছাড়া ওদের আর কোনো উপায় নেই।বাধ্য হয়ে ওরা সাহিরের সাথে সব কিছু আনতে যায়।
তিনজন সবকিছু নিয়ে যখন ফিরে এসে রশি ফেলতে যাবে ঠিক তখনি বড় রকমের শকড হয়।কারন সেখানে মেহেরের লাশ নেই।অবাক করা বিষয় হচ্ছে ডালটা ঠিক আগের মতোই আছে রক্ত মাখা।শুধু মেহেরের দেহটায় নেই।এই ২০ মিনিটের মধ্যে লাশটা কি করে উধাও হলো সাহির বুঝে উঠতে পারে না। ভয়ে রনি মারুফের জান যায় যায় অবস্থা।
চলবে,,,,
