অমাবস্যার চাঁদ
পর্ব ৬
writer Tanishq Sheikh Tani
রণ মেহেরের দিকে বন্দুক তাক করতেই রবিন বন্দুকের নল ধরে নামিয়ে নেয়।রণ চোখের ইশারায় এর কারন জানতে চাইলে রবিন মাওলানা চাচার দিকে তাকায়।
রণ সেদিকে ঘুরতেই দেখলো চাচার হাস্যোজ্জ্বল মুখটা পান্ডুর হয়ে আছে।
রণ সেদিকে ঘুরতেই দেখলো চাচার হাস্যোজ্জ্বল মুখটা পান্ডুর হয়ে আছে।
কি ছোটমিয়া! ওহন কিমুন লাগে? কইছিলাম না সইরা খাড়াও।এহন বুঝো ঠ্যালা।
কথাটা শুনে মাওলানা চাচা আবারও হেসে উঠলেন।চাচার হাসি মনে হয় বুড়ির কাছে অপ্রত্যাশিত ছিল।তাই চাচার মুখের হাসি দেখে বুড়ি খেঁকিয়ে উঠলো।
ঐ মেহের! এই বুইড়ার কইলজা আমার চাই।আজ রাইতে আবার কইলজা পোড়া খামু
বুড়ির কথা শুনে মেহের নাক মুখ খিঁচিয়ে উঠলো।রণর এটা দেখেই টুলাইট মুভির উলফ গুলোর কথা মনে পড়লো।কেমন দাঁত খিচিয়ে শিকার ধরতো ওরা ।মেহেরও এমন হয়ে আছে। শিকার ধরার পূর্বপ্রস্তুতি নিচ্চে।এমন সময় হঠাৎ রবিন পেছন থেকে আচমকা মেহেরের হাত বেঁধে ফেললো আমাকেও ইশারা করলো সাহায্য করার জন্য। আমি বাধ্যগত বন্ধুর মতো রবিনের সাহায্যে লেগে গেলাম।কিন্তু একি মেহেরের শরীররে ৫০ জন সমর্থ পুরুষের শক্তি এসে ভর করেছে মনে হচ্ছে। কোনোমতেই বাগে আনা যাচ্ছে না।অনেক কষ্টে শিষ্টে বেঁধে ফ্লোরে শুইয়ে রাখা হয়েছে।পাছে কেউ শোরগোল শুনতে পায় এইজন্য মুখে একটা কস্টিপ পেচিয়ে দেওয়া হয়েছে।আমার মনে দারুন কষ্ট হচ্ছে। হাজারহোক মেহেরকে তো মন থেকে ভালোবেসেছি আমি।
এখন দূর্বল হওয়ার সময় না রণ
রবিনের মুখে এমন কথা শুনে বাচ্চাদের মতো কাদতে ইচ্ছা হলো রণর।কিন্তু সংবরণ করলো সে কান্না।
বুড়ি খেঁকিয়ে উঠলো আবারও।নাতনীকে খুঁজতে লাগলো কিন্তু নাতনী তো নেই।রবিন রণও চিন্তিত হলো।খেয়ালই ছিল না মেয়েটার দিকে। কখন হাওয়া হলো কেউ টের পাই নি।এদিকে এমন গুরুতর সময় নড়াও যাচ্ছে না এখান থেকে।
কিছুক্ষণ বাদে মাওলানা চাচা আসলো।চাচা ভেতরে কখন গেলো এটাও রণ জানে না।রবিন বুড়ির নাতনীর বিষয়টা চাচাকে বলবে তখনি দেখলো মেয়েটা মাথা নিচু করে ঘর থেকে কি একটা কাপড়ে বাধা তা নিয়ে আসছে।
রবিন চুপ করে গেলো।
রবিন চুপ করে গেলো।
মাওলানা চাচা রণকে বললো বুড়ির হাত পেছন থেকে বেঁধে দিতে।রণ তা করতে উদ্যত হলেই বুড়ি রণর কপালে হাতের লাঠি দিয়ে সজোরে বারি দিল।ফলাফল কপাল কেটে রক্ত লাল হলো রণর।তবুও রণ দমে গেলো না।পুলিশদের গা সহা এসব ছোটখাট বারি।
বুড়ি মুখে দুনিয়ায় যতোবিশ্রী নোংরা ভাষা আছো সব প্রয়োগ করতে থাকলো।খারাপ দূর্বল মানুষের অন্যতম হাতিয়ার নোংরা ভাষায় প্রতিপক্ষকে নাজেহাল করানোর।
রণ হাত বেঁধে কস্টিপ খোজার জন্য এদিক ওদিক তাকিয়ে তারপর কস্টিপ খুজে পেয়ে বুড়ির মুখে লাগিয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস নেয়।
রণ হাত বেঁধে কস্টিপ খোজার জন্য এদিক ওদিক তাকিয়ে তারপর কস্টিপ খুজে পেয়ে বুড়ির মুখে লাগিয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস নেয়।
এতো গালাগালি কোথাথেকে শিখছেন গো বুড়ি? বাবা গো বাবা! মেয়ে মানুষ এতো গালি জানতে পারে আমি জানতাম না।মনডায় চাই গুলি করে জিবটা আলাদা করে দেই আপনার।রণ মুখটা পানসে করে বুড়ির দিকে চুপচাপ দাড়িয়ে থাকে।
মাওলানা চাচা সূরা পড়তে শুরু করলেন মেহেরের সামনা সামনি বসে।মেহের এখন প্যারালাইসিস রোগীর মতো পড়ে আছে।চোখে ওর কি একটা মায়া কাজ করছে।ছলছল চোখ দুটো দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ছে হঠাৎই মেহেরের শরীরে কালশিটে আঘাতের চিহ্ন ভেসে উঠতে লাগলো।সমস্ত শরীর ক্ষত বিক্ষত মনে হচ্ছে। কিছু বলতে যাচ্ছে একটু পর ঠোঁট কাঁপিয়ে কিন্তু পারছে না বলতে।মাওলানা চাচা বুড়ির নাতনীকে ইশারা করলেন কি যেন একটা।মেয়েটাও মাথা নাড়িয়ে হ্যাঁ সূচক জবাব দিলো।
চাচা উঠে দাড়িয়ে রণকে আদেশ করলেন মেহেরকে যেন কোলে করে বিছানায় শুইয়ে দেওয়া হয়।
রণ চাচার কথামতো মেহেরকে পাশের রুমটাই নিয়ে শুইয়ে দেয়।মেহেরের দু চোখের জল নিজ হাতে মুছে দেয় রণ।ওর পিছু পিছু বুড়ির নাতনীও যায়। বুড়ির নাতনীকে এখানে দেখে রণ কপাল কুঁচকায়। কিছু বলতে যাওয়ার আগেই চাচার ডাকে রুম থেকে বেরোতে বাধ্য হয়।রুম থেকে বেরোনোর সাথে সাথে বুড়ির নাতনী ভেতর থেকে রুমটা বন্ধ করে দেয়।
রণ চমকে ঘুরে দাড়ায়।দরজায় টুকা দিতে যাবে তখনি চাচা আবার হাক ছাড়ে।
জ্বি চাচাজান বলুন।
বুড়িকে নিয়ে চলে যাচ্ছি আমি।কোথায় যাচ্ছি কিছু জানতে চাস না।সব আমি রবিনকে বলেছি। সময় ও সুযোগ হলেই সেই তোকে বলবে।
চাচাজান!মেহেরের এই অবস্থা কি করে হলো? সেটা তো বললেন না।আর ঐ তিনটা ছেলের মৃত্যু রহস্য কি?বুড়ির নাতনীকেই বা রেখে যাচ্ছেন কেন এখানে? রবিন প্রশ্ন করে বসলো
বুড়ির বিস্মিত রুক্ষ মুখের দিকে চেয়ে বলা শুরু করে মাওলানা আবদুর রহমান,,,
এসব রহস্যভেদ করতে গেলে আজ থেকে ২০ বছর পূর্বের কাহিনিতে যেতে হবে যে আমাকে।কারন আমার আর সফুরনের সাক্ষাৎ ই তো তখন থেকে তাই না সফুরণ?
বুড়ি চোখ মুখ খিচিয়ে ওঠে আবদুর রহমানের কথা শুনে।
আবদুর রহমান সজোরে একটা চড় দেওয়াতে বুড়ি নিস্তেজ হয়ে পড়ে।এটা দেখে রণ রবিন উদ্বিগ্ন হয়ে যায়।
চিন্তা করো না।এটা অতি সামান্য ওষুধ ওকে চুপ করানোর।এখন শান্তিতে ঘটনাটা বলতে পারবো আমি।সোফায় পা এলিয়ে বসতে বসতে বলে আবদুর রহমান
আজ থেকে ২০ বছর পূর্বের কথা।আমি সবে মাত্র ফরেস্ট অফিসার হয়ে চিটাগং পার্বত্য অঞ্চলে বদলি হয়েছি।তোমার চাচী মেয়েকে নিয়ে ঢাকাতেই ছিলো।
কিছুদিন অতিবাহিত হওয়ার পর শুনি স্থানীয় এলাকার মানুষ একটা ভীতির মধ্যে বাস করছে।আর ভীতিটা হলো ডাইনীবিদ্যা চর্চা কারীনি এক মহিলাকে নিয়ে।যে নাকি প্রতি অমাবস্যা চাঁদে আলোতে প্রেত সাধনা করে।আর বলি দেয় যুবতী মেয়েদের।এছাড়াও ছোট ছোট বাচ্চাদের ধরে নিয়ে যাওয়া সহ অনেক অত্যাচার করতো।স্থানীয়রা এ নিয়ে ভয়ে থাকলে ডায়নীকে চিহ্নিত করতে পারে না।কারন ডায়নী ছিলো ছদ্মবেশী। লোকচক্ষুর আড়ালেই সে এসব কুকর্ম করতো।আমি যেহেতু ফরেস্টের দায়িত্বে ছিলাম তাই তারা এসে একপর্যায়ে আমার সরনাপন্ন হলো।আমার কাছে আসার আরেকটি কারন হলো আমার ধার্মিক জীবনযাত্রা।তাদের ধারণা ছিল সৃষ্টিকর্তা আমাকে তাদের সাহায্য করার জন্য পাঠিয়েছেন। এবং আমি তাদের সাহায্য করতে পারবো।
আমিও অগ্যতা তাদের কষ্ট পীড়া গুলো উপেক্ষা করতে পারলাম না।কেন যেন মনে হলো এতো বড় অনাসৃষ্টির বিভৎসতার একটা চূড়ান্ত সমাপ্তি হওয়া উচিত।
মনে মনে স্থির করলাম এর কূল কিনারা বের করবো আমি।সেমতেই ভেতরে ভেতরে নিজেকে তৈরি করছিলাম।কারন আমি জানতাম এসব কালোজাদুবিদ্যা কতটা ভয়ানক।এরা এদের আত্মা বিক্রি করে দেয় শয়তানকে।স্রষ্টার সুন্দর সৃষ্টি হয়েও প্রভাব ক্ষমতার লোভে এরা শয়তানের শিষ্যত্ব গ্রহন করেছে।নিজের স্বজাতীদের ক্ষতি করে মিথ্যা ক্ষমতার পেছনে ছুটছে অন্ধ হয়ে।আল্লাহর সতর্কতা সংকেতকেও এরা তাচ্ছিল্য করে।বড়াই করে সর্বশ্রেষ্ঠত্বের আকাঙ্খা প্রাপ্তির।যা নিছকই মরিচিকা ছাড়া কিছু না।এদের জন্য পরকালে হাবিয়া ছাড়া কিছুই অবশিষ্ট নেই।কারন এরা কারো সুপারিশেরও উপযুক্ত না।
কিছুদিন অতিবাহিত হওয়ার পর শুনি স্থানীয় এলাকার মানুষ একটা ভীতির মধ্যে বাস করছে।আর ভীতিটা হলো ডাইনীবিদ্যা চর্চা কারীনি এক মহিলাকে নিয়ে।যে নাকি প্রতি অমাবস্যা চাঁদে আলোতে প্রেত সাধনা করে।আর বলি দেয় যুবতী মেয়েদের।এছাড়াও ছোট ছোট বাচ্চাদের ধরে নিয়ে যাওয়া সহ অনেক অত্যাচার করতো।স্থানীয়রা এ নিয়ে ভয়ে থাকলে ডায়নীকে চিহ্নিত করতে পারে না।কারন ডায়নী ছিলো ছদ্মবেশী। লোকচক্ষুর আড়ালেই সে এসব কুকর্ম করতো।আমি যেহেতু ফরেস্টের দায়িত্বে ছিলাম তাই তারা এসে একপর্যায়ে আমার সরনাপন্ন হলো।আমার কাছে আসার আরেকটি কারন হলো আমার ধার্মিক জীবনযাত্রা।তাদের ধারণা ছিল সৃষ্টিকর্তা আমাকে তাদের সাহায্য করার জন্য পাঠিয়েছেন। এবং আমি তাদের সাহায্য করতে পারবো।
আমিও অগ্যতা তাদের কষ্ট পীড়া গুলো উপেক্ষা করতে পারলাম না।কেন যেন মনে হলো এতো বড় অনাসৃষ্টির বিভৎসতার একটা চূড়ান্ত সমাপ্তি হওয়া উচিত।
মনে মনে স্থির করলাম এর কূল কিনারা বের করবো আমি।সেমতেই ভেতরে ভেতরে নিজেকে তৈরি করছিলাম।কারন আমি জানতাম এসব কালোজাদুবিদ্যা কতটা ভয়ানক।এরা এদের আত্মা বিক্রি করে দেয় শয়তানকে।স্রষ্টার সুন্দর সৃষ্টি হয়েও প্রভাব ক্ষমতার লোভে এরা শয়তানের শিষ্যত্ব গ্রহন করেছে।নিজের স্বজাতীদের ক্ষতি করে মিথ্যা ক্ষমতার পেছনে ছুটছে অন্ধ হয়ে।আল্লাহর সতর্কতা সংকেতকেও এরা তাচ্ছিল্য করে।বড়াই করে সর্বশ্রেষ্ঠত্বের আকাঙ্খা প্রাপ্তির।যা নিছকই মরিচিকা ছাড়া কিছু না।এদের জন্য পরকালে হাবিয়া ছাড়া কিছুই অবশিষ্ট নেই।কারন এরা কারো সুপারিশেরও উপযুক্ত না।
যা হোক মূল ঘটনায় আসি।পূর্ব পরিকল্পনা মাফিক এক অমাবস্যার রাতে আমি বের হয় ডাইনীবিদ্যা আস্তানার উদ্দেশ্যে।গোপনে গোপনে আমি সব কিছুর খোঁজ নিয়ে রাখি।এবং এই রাতে ডায়নীকে হাতে নাতে ধরার জন্যই কয়েকজন লোকসহ বের হই।
সবার হাতে ছিল টর্চ লাইট।কিছুদূর যেতেই ঝুমঝুম করে আকাশ ফুড়ে বৃষ্টির ধারা ঝরতে শুরু করলো।একেতো গভীর জঙ্গল তার উপর ঘোর অমাবস্যা। কোনো কিছুই ভালোকরে দেখার উপায় নেই।আর এই অসময়ের বৃষ্টি। যতো এগোচ্ছি মনে হচ্ছে যেন আগের জায়গাতেই গোল গোল ঘুরছি।উপায়ন্তর না দেখে পাশের পুরানো বটতলায় কিছুক্ষণ টর্চ নিভিয়ে ঠাই দাড়িয়ে রইলাম বৃষ্টি থামার প্রতিক্ষায়।হঠাৎই ভয়ানক তালে সুরে মন্ত্র জব শুরু হলো।একজন ভয়ে টর্চ অন করেই দিয়েছিল কিন্তু আমি তাড়াতাড়ি সেটা নেভানোর জন্য বলতেই বেচারা পান্ডুর মুখ করে সেটা নিভিয়ে দিলো।
শব্দের উৎস কোথা থেকে আসছে সেটা কান পেতে শোনার আপ্রাণ চেষ্টা করতে লাগলাম।কিন্তু পারলাম না। কারন মনে হতে লাগলো পুরো জঙ্গলজুড়েই যেন মন্ত্র পাঠ হচ্ছে। অবশেষে সবাই মিলে স্থির করলাম দুজন দুজন করে তিন দিকে যাওয়ার জঙ্গলের। সামনে সন্দেহের মতো কিছু আসলেই দ্রুত তিন শিষ দিয়ে সতর্ক ও পথ নির্দেশ করার বাকিদের।
অবশেষে সবাই ভয়ভীতি মনে চেপেই এগোতে লাগলো দলে দলে।আমার সাথে ছিলো কানাই সরদার।আমরা কিছুদূর যেতেই শিষের আওয়াজ শুনতে পেলাম বা দিক থেকে।সেদিকে পা বাড়াতেই অন্য দিক থেকে আরো তিনটা শিষ বেজে উঠলো। কানাই আর আমি চোখাচোখি করতে লাগলাম।আমি ২য় শিষের উৎসের দিকে পা বাড়াতেই কানাই আমার হাত চেপে ধরলো।
সবার হাতে ছিল টর্চ লাইট।কিছুদূর যেতেই ঝুমঝুম করে আকাশ ফুড়ে বৃষ্টির ধারা ঝরতে শুরু করলো।একেতো গভীর জঙ্গল তার উপর ঘোর অমাবস্যা। কোনো কিছুই ভালোকরে দেখার উপায় নেই।আর এই অসময়ের বৃষ্টি। যতো এগোচ্ছি মনে হচ্ছে যেন আগের জায়গাতেই গোল গোল ঘুরছি।উপায়ন্তর না দেখে পাশের পুরানো বটতলায় কিছুক্ষণ টর্চ নিভিয়ে ঠাই দাড়িয়ে রইলাম বৃষ্টি থামার প্রতিক্ষায়।হঠাৎই ভয়ানক তালে সুরে মন্ত্র জব শুরু হলো।একজন ভয়ে টর্চ অন করেই দিয়েছিল কিন্তু আমি তাড়াতাড়ি সেটা নেভানোর জন্য বলতেই বেচারা পান্ডুর মুখ করে সেটা নিভিয়ে দিলো।
শব্দের উৎস কোথা থেকে আসছে সেটা কান পেতে শোনার আপ্রাণ চেষ্টা করতে লাগলাম।কিন্তু পারলাম না। কারন মনে হতে লাগলো পুরো জঙ্গলজুড়েই যেন মন্ত্র পাঠ হচ্ছে। অবশেষে সবাই মিলে স্থির করলাম দুজন দুজন করে তিন দিকে যাওয়ার জঙ্গলের। সামনে সন্দেহের মতো কিছু আসলেই দ্রুত তিন শিষ দিয়ে সতর্ক ও পথ নির্দেশ করার বাকিদের।
অবশেষে সবাই ভয়ভীতি মনে চেপেই এগোতে লাগলো দলে দলে।আমার সাথে ছিলো কানাই সরদার।আমরা কিছুদূর যেতেই শিষের আওয়াজ শুনতে পেলাম বা দিক থেকে।সেদিকে পা বাড়াতেই অন্য দিক থেকে আরো তিনটা শিষ বেজে উঠলো। কানাই আর আমি চোখাচোখি করতে লাগলাম।আমি ২য় শিষের উৎসের দিকে পা বাড়াতেই কানাই আমার হাত চেপে ধরলো।
উদিকে কই যাচ্ছেন বাবু? উদিক তো আমাগের দলের কেউ যাই নেই,,,,
